প্রাইমারি রিয়েল ভাইভা এনালাইসিস ২০২২


প্রাইমারি ভাইভা অভিজ্ঞতা 


জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

বিষয়: রাষ্ট্রবিজ্ঞান

নাম: Jakirul Wahid

ভাইভা বোর্ডে ছিলাম: ৬-৭ মিনিট

তারিখ: 26/07/2022


DPEO: হলে থাকতেন?

আমি: জ্বী, স্যার।

DPEO: কোন হল?

আমি: শহীদ হবিবুর রহমান হল।

DPEO: তিনি কে ছিলেন?

আমি: ৭১ এর একজন শহীদ বুদ্ধিজীবী।

ADC: মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি বলেন।

আমি: ৭০ এর নির্বাচন দিয়ে শুরু করে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে শেষ করেছি। (১ মিনিট+ সময় লেগেছিল)

DPEO: বঙ্গবন্ধু কে?

আমি: আমাদের জাতির পিতা।

DPEO: আপনার সাবজেক্ট তো রাষ্ট্রবিজ্ঞান, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র এর একটি পার্থক্য বলেন।

আমি: যুক্তরাজ্য রাজতন্ত্র ঘেঁষা আর যুক্তরাষ্ট্রে রাজতন্ত্রের কোন জায়গা নেই। যেমন: UK এর রাষ্ট্রপ্রধান রাজা/রানী, কিন্তু USA এর রাষ্ট্রপ্রধান রাষ্ট্রপতি।

DPEO: তাহলে ইন্ডিয়া যুক্তরাজ্য নাকি যুক্তরাষ্ট্র?

আমি: স্যার, ইন্ডিয়া একাটি যুক্তরাষ্ট্র।

DPEO: ইন্ডিয়ার রাজ্যসভা, লোকসভা ও বিধান সভা কী?

আমি: ইন্ডিয়ার আইনসভার উচ্চকক্ষের নাম রাজ্যসভা, নিম্নকক্ষের নাম লোকসভা এবং পশ্চিম বাংলা রাজ্যের আইনসভার নাম বিধান সভা। 

DOEO: বিধান সভা নাম রাখা হয়েছে কেন, জানেন?

আমি: সরি স্যার, আমার জানা নেই।

DPEO: পশ্চিম বাংলার দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায় এর নামে নামকরণ করা হয়েছিল।

আমি: জ্বী, স্যার। 

DPEO: পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন? (আমার মুখে দাড়ি দেখে এই প্রশ্ন করেছেন সম্ভবত)

আমি: জ্বী স্যার।

DPEO: দোয়া কুনুত বলেন।

আমি: বললাম

ADC: গান অথবা কবিতা বলেন একটা।

আমি: স্যার একটা কবিতা বলি?

ADC: বলেন।

আমি: সৈয়দ শামসুল হকের 'আমার পরিচয়' থেকে চার লাইন বলেছি তাতেই ADC স্যার বললেন, ঠিক আছে আপনি আসেন।

(উঠে দাঁড়িয়েছি তাতেই)

ADC: রিটেনে কত মার্কস থকবে আপনার?

আমি: বললাম

(সবাই হেসে উঠলো)

ADC: তাহলে তো আপনার চাকরি মোটামুটি হয়ে গেছে।

আমি: দোয়া করবেন স্যার।

ADC: শুভকামনা রইলো।

তারপর সালাম দিয়ে বেরিয়ে আসলাম। 


(শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মুখে হাসি হাসি ভাবটা অনেক কষ্টে ধরে রেখেছিলাম)


**অধিকাংশ প্রশ্ন DPEO স্যার করেছেন, ADC স্যার অল্প, Superintendent স্যার কোন প্রশ্নই করেননি, শুধু কবিতাটা আরো জোরে বলতে বলেছিলেন।


সবার দোয়া প্রার্থী & সবার জন্য দোয়া রইলো, ফি আমানিল্লাহ।



প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ভাইভা অভিজ্ঞতাঃ

বিষয়ঃ গণিত।

জেলাঃ দিনাজপুর

তারিখঃ ২২/০৭/২০২২, শুক্রবার। 


আমিঃ আসতে পারি স্যার ! 

ডিসি স্যারঃ আসেন।

আমিঃ আসসালামু আলাইকুম স্যার। 

ডিসি স্যারঃ বসেন। 

আমিঃ ধন্যবাদ স্যার। 

প্রশ্ন করতে করতে তাড়াতাড়ি লিখতে বলল ও যাচাই-বাছাই করল বাংলা ও ইংরেজি লিখা।

ডিসি স্যারঃ আপনার নামের অর্থ বলেন, কে রেখেছিল আপনার নাম। 

আমিঃ প্রসংশনীয় নিষ্পাপ, আমার মা রেখেছেন। 

পিটিআই ইন্সট্রাক্টরঃ আপনি কোথা থেকে পড়াশোনা করেছেন ? বিষয় কী ? 

আমিঃ দিনাজপুর সরকারি কলেজ। গণিত বিষয়ে। 

ডিসি স্যারঃ বলেন বিন্দু কী ? এর বৈশিষ্ট্য কী ? 

আমিঃ কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললাম স্যার, 

এর তো শুধু অবস্থান আছে আর তো কিছু নেই। 

ডিসি স্যারঃ হুমমম, ঠিক আছে। 

পিটিআই ইন্সট্রাক্টরঃ বলেন অঙ্ক ও সংখ্যা কী ? 

আমিঃ সংখ্যা নির্ধারক চিহ্ন হচ্ছে অঙ্ক আর দুই বা ততোধিক অঙ্ক দিয়ে সংখ্যা গঠিত হয়। 

পিটিআই ইন্সট্রাক্টরঃ ১ টা অঙ্ক দিয়ে সংখ্যা গঠিত হতে পারে না ! ? 

আমিঃ অবশ্যই পারে স্যার। 

পিটিআই ইন্সট্রাক্টরঃ ভগ্নাংশ কত প্রকার, কী কী? 

আমিঃ ভগ্নাংশ ২ প্রকার , সরি স্যার ৩ প্রকার। প্রকৃত, অপ্রকৃত ও মিশ্র ভগ্নাংশ। 

পিটিআই ইন্সট্রাক্টরঃ লসাগু কী ? গসাগু কী ? 

আমিঃ লঘিষ্ঠ সাধারণ গুণিতক আর গরিষ্ঠ সাধারণ গুণনীয়ক। 

পিটিআই ইন্সট্রাক্টরঃ আচ্ছা, আমি একটা তারিখ বলব আপনাকে এর ব্যাখ্যা দিতে হবে। 

আমিঃ ঠিক আছে স্যার।

পিটিআই ইন্সট্রাক্টরঃ ৩রা নভেম্বর কী ? 

আমিঃ স্যার, জেল হত্যা দিবস। 

পিটিআই ইন্সট্রাক্টরঃ জাতীয় চার নেতার নাম বলেন। 

আমিঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমেদ, এম মনসুর আলী ও আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামরুজ্জামান। 

পিটিআই ইন্সট্রাক্টরঃ আচ্ছা ঠিক আছে , আপনি এখন আসতে পারেন। 

আমিঃ ধন্যবাদ স্যার, আসসালামু আলাইকুম। 


( ডিপিইও স্যারও ছিল কিন্তু কোনো প্রশ্ন করেনি। বিকাল ৪ টার পর থেকে সময় খুব কম নিয়েছিল আর খুব তাড়াতাড়ি সবার ভাইভা শেষ করেছিল। শেষের দিকে তাই মনে হয় কাউকে কোনো অনুবাদ, গান ও কবিতা ধরেনি। সবাইকে মোটামুটি ৪-৫ টা করে শুধু বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন করেছিল ) 


আলহামদুলিল্লাহ, ভাইভা বোর্ড অনেক আন্তরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল আর ভাইভাও অনেক ভালো হয়েছে। রিজিকে থাকলে হবেই হবে, ইনশাআল্লাহ



পটুয়াখালী জেলাঃ
ওয়েটিং রুমে বসিয়ে ৩+২= ৫ লাইন লিখতে বলা হলো এবং এডমিট কার্ড এর সাথে ছবি মিলিয়ে দেখলো।
ভাইবার তারিখঃ ২৩/০৭/২০২২
সময়ঃ বিকেল ৪ টা ৫৫ মিনিট।
প্রথমে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করলাম
অতঃপর সালাম দিলাম এবং বসতে বললো বসলাম।
ভিতরে ৩ জন ছিলোঃ
১. ডিসি স্যার (পুরুষ)
২. জেলা শিক্ষা অফিসার (পুরুষ)
৩. তার সম্পর্কে জানিনা ( মহিলা)
ডিসি স্যারঃ আপনার নাম কি? কোথায় লেখাপড়া করেছেন? এসএসসি এবং এইস এস সি কোথা থেকে করছেন?
আমিঃ সব উত্তর দিলাম।
ডিসি স্যারঃ জাতীয় সংগীত পারেন?
আমিঃ জি স্যার, তারপর মন প্রাণ উজার করে গাইলাম। (৪ লাইন, তারপর থামিয়ে দিলেন)।
ডিসি স্যারঃ কুরআন তিলাওয়াত শুনান( উল্লেখ্য আমি পাজামা, পাঞ্জাবি ও টুপি পরিহিত ছিলাম)
আমিঃ সুরা হাসর (লা ইয়াসতাওয়ী আসহাবুন নারি ওআসহাবুল জান্নাহ........................................)  তিলাওয়াত করলাম। স্যার সন্তুষ্ট হলেন।
ডিসি স্যারঃ অর্থনীতির ব্যাসিক বলেন।
আমিঃএড্যাম স্মিথ + মার্শাল এর সংগা দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করলাম। স্যারের মনপূত হয়নি।
আবার বললেনঃ
১.জিডিপি,
২.জিএনপি,
৩.বাজার,
৪.চাহিদা,
৫.কর,
৬.বাজেট,
৭.ব্যাংকিং ইত্যাদি জানতে চাইলেন--
আমিঃ আলহামদুলিল্লাহ সব বলেছি।
ডিসি স্যারঃ চারু ও কারু কি?
আমিঃ সরি স্যার। (পুরোপুরি ধারণা ছিলোনা তাই সরি বলে দিয়েছি)
ডিসি স্যারঃ চারু ও কারু -- ঐ যে মাটি দিয়ে হাড়ি, পাতিল, প্রাণী বানানো হয় এগুলো সম্পর্কে বলেনঃ (আমি যেহেতু পাঞ্জাবি + টুপি পরা তাই এসব প্রশ্ন এবং এ সম্পর্কিত মাসয়ালা জানতে চেয়েছেন হয়তো)
আমিঃ স্যার প্রাণ নেই এমন যে কোনো কিছু বানানো ইসলামে অনুমতি দেয়, তবে যার প্রান আছে এমন কোনো প্রাণীর প্রকৃতি বানানো ইসলামে জায়েজ নেই।
ডিসি স্যারঃ ধরেন এই মুহুর্তে আপনাকে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রকৃতি বানাতে হবে তখন আপনি কি করবেন?
 আমি বুঝতে পারছি যে আমাকে এটা দিয়ে প্যাচাবে, তাই টেকনিক্যাললি উত্তর দিলাম। উত্তর শুনে স্যার বললো - আপনি তো সুবিধাবাধীর দলে ।
এ কথা বলে হাসলো।
ডিসি স্যারঃ ইকোনমিকস এ মাস্টার্স করেছেন ম্যাথ কেমন পারেন? প্রশ্ন করলে পারবেন?
আমিঃ জি স্যার, আলহামদুলিল্লাহ পারবো।
ডিসি স্যারঃ চার ভাগের এক ও পাঁচ ভাগের এক এর যোগফল নির্ণয় করেন। (খুবই সহজ একটা ম্যাথ)
আমিঃ করলাম।  স্যার খুশী হলেন।
জেলা শিক্ষা অফিসারঃ আপনি কি টেনস( Tense) এর নাম শুনেছেন?
আমিঃ মনে মনে হাসি পেল, কেমন প্রশ্ন। জি স্যার শুনেছি।
জেলা শিক্ষা অফিসারঃ সেনটেনস ( sentence) এর নাম শুনেছেন?  
আমিঃ সেইম অনুভূতি। জি স্যার শুনেছি।
জেলা শিক্ষা অফিসারঃ আচ্ছা বলুনতো Part's of Speech কাকে বলে? কত প্রকার কি কি?
আমিঃ সুন্দর করে উত্তর দিলাম।
জেলা শিক্ষা অফিসারঃ Adverb এর একটি উদাহরণ দেন Sentence উল্লেখ করে?
আমিঃ বললাম
সন্তুষ্ট হলো। এরপর যাওয়ার জন্য বলা হলে সালাম দিয়ে রুম থেকে বের হলাম।
আলহামদুলিল্লাহ
ভাইবা অনেক ভালো হয়েছে।



ভাইভা অভিজ্ঞতা
তারিখঃ ৩১/৭/২০২২
নামঃ মোঃ আবুজার গিফারী
ভাইভার সময়কালঃ ৩/৪মিনিট
সাবজেক্টঃ গণিত
জেলাঃ নওগাঁ।
প্রথমে সালাম দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করলাম তারপর DC স্যার বসতে বললেন।
DPO sir: আপনার নাম বলুন?
আমিঃ বললাম
DPO sir: কোথায় পড়াশোনা করেছেন?
আমিঃ বললাম
DPO sir: আপনার নামে কোথায় কি  আছে বলুন?
আমিঃ বললাম স্যার ঢাকার মালিবাগে  আমার নামে আবুজার গিফারী কলেজ আছে।
DC sir: wow very interesting.  আপনার নামে কলেজ।
DC sir: কেন আপনি শিক্ষক হতে চান?
আমিঃ টেকসই উন্নয়ন ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করণে প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ন,,,, বলতেই থামতে বললেন।
DC sir: মানসম্মত শিক্ষা কি?
আমিঃ আমার মতো করে বললাম। (তবে ভালই বলেছি)
DC sir: আমি শিশুদের সাথে খেলতে পছন্দ করি,,,, এর অনুবাদ করুন।
আমিঃ I like to play with children.
DC sir: বললেন আবার বলুন?
আমিঃ আবার বললাম।
DC sir: বললেন childrens হবে না??
আমিঃ বললাম না স্যার।
DC sir: আবার বললেন s যোগ হবে না?
আমিঃ বললাম হবে স্যার। শেষে আমি ভুলটাই বলে আসলাম।
আমাকে কনফিউজড করেছে এবং ভুলটাই বলে নিয়েছে।
DC sir: গান পারেন?
আমিঃ জি স্যার
DC sir: বললেন বলেন।
আমিঃ ৩ লাইন বলতেই বললেন আপনি এইবার আসুন।
তারপর আমি সালাম দিয়ে বের হয়ে আসলাম।
বি.দ্রঃ আমার সাবজেক্ট গণিত থেকে কোনো প্রশ্ন করেনি
ভাইভা মোটামুটি ভালই দিয়েছি বাকিটা আল্লাহর হাতে।
সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী
ধন্যবাদ সবাইকে



রিয়েল ভাইবা অভিজ্ঞতা...
নামঃ মোঃ ফারুক মিয়া
তারিখ- ২৩/৭/২২
সকালঃ ১০.২৭-১০.৩২ মিনিট। (৫ মিনিট)
স্থানঃ জেলা প্রশাসক, অফিস কক্ষ।
জেলা- রংপুর
অনুমতি নিয়ে রুমে প্রবেশ করার পর সালাম দিলাম।
 ডকুমেন্টস গুলো নিয়ে, বসতে বললেন।
ধন্যবাদ দিয়ে বসলাম।
ভাইবা বোর্ডে চারজন  ছিলেন।
একটা ছোট কাগজে নিজের রোল ও স্বাক্ষর দিলাম।  বাংলায় ও ইংরেজিতে ১ টি করে বাক্য লিখলাম।
স্যারঃ কোন বিষয়ে পড়াশুনা।
আমিঃ ডিগ্রী পাস কোর্স। বি কম স্যার।
স্যারঃ কি কি সাবজেক্ট ছিল আপনার?
আমিঃ একাউন্টিং, ম্যানেজমেন্ট, মার্কেটিং।
ম্যামঃ আধুনিক ব্যবস্থাপনার জনক কে?
আমিঃ হেনরি ফেওল।
ম্যামঃ ধরেন,  বিদেশ থেকে কোন পন্য দেশে আনলেন,  আপনি কিভাবে পন্যের মুল্য নির্ধারন করবেন?
আমিঃ পন্যের যাবতীয় ব্যয় এর সাথে আমদানী কর যোগ করে তার সাথে মুনাফা যোগ করে মূল্য নির্ধারন করবো।
পাশে বসা স্যার বললেন এত বিষদভাবে তো ব্যাখ্যা করা যাবে না।।  ( মনে মনে ভাবছিলাম ডিগ্রী পাস করার পর হিসাববিজ্ঞান সাবজেক্ট এ পড়াশুনা চলমান,  সেই ২০১৭ সালের ম্যানেজমেন্ট, মার্কেটিং কি আর মনে থাকার কথা)
স্যারঃ আচ্ছা একটা সহজ Translation  করুন। - আমার ভাই ঘুমাচ্ছে।
আমিঃ My Brother is sleeping.
স্যারঃ আচ্ছা বলুন তো, মুজিবনগর অস্থায়ী সরকার কাদের নিয়ে গঠিত?
আমিঃ মুজিবনগর অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ, রাষ্ট্রপতি - শেখ মুজিবর রহমান বলতেই স্যার বললেন তাদের দায়িত্বে মন্ত্রনালয়গুলো উল্লেখ করেন।
আমিঃ সরি স্যার এই মুহুর্তে মনে করতে পারছি না।
ম্যামঃ আচ্ছা নাম গুলোই বলেন।
আমিঃ ৩ জনের নাম বলতেই থামাই দিলেন।
স্যারঃ গান শোনান।
আমিঃ আমার হিয়ার মাঝে - রবীন্দ্রসংগীত এর ৪ লাইন শুনতেই থামাই দিলেন।
স্যারঃ হিয়া মানে কি??
আমিঃ মন/ হৃদয়, স্যার।
স্যারঃ আপনি আসুন( কাগজপত্র হাতে দিয়ে বললেন।
আমিঃ ধন্যবাদ,স্যার, আসসালামুআলাইকুম।
(আমি ২০১৩ এস এস সি ব্যাচের একজন প্রার্থী। আমি ডিগ্রী পাস কোর্স থেকে।  আমার ব্যাচে যারা অনার্স করেছেন তারা কেউ প্রাইমারীতে আবেদন করতে পান নি। ডিগ্রি পাস কোর্স এর জন্য আবেদন ও পরিক্ষায় অংশগ্রহন করতে পেরেছি৷  আর আল্লাহ পাকের মেহেরবানিতে আজকে ভাইভা দিয়েও আসলাম। আলহামদুলিল্লাহ ভালই দিয়েছি।  তবে অনেক নার্ভাস ছিলাম। কিন্তু ২০১৮ সালে ডিগ্রী পাস করার পর এখন প্রিলিমিনারী টু মাস্টার্সে হিসাববিজ্ঞান নিয়ে পড়তেছি। হিসাববিজ্ঞান থেকে প্রশ্ন করলে একটু ভাল করতাম।
যাই হোক ভাইভা অবিজ্ঞতা শেয়ার করলাম।
জীবনের প্রথম সরকারী চাকরির ভাইভা।
[ মহান আল্লাহ অবশ্যই উত্তম রিজিকের ব্যবস্থাকারী]



ভাইবা অভিজ্ঞতা
নামঃ হাবিবা আক্তার
জেলাঃ ঝালকাঠি
তারিখঃ২০/৭/২০২২
বিষয়: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি
আমি: রুমে যাবার অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করলাম
সালাম দিলাম
বোর্ড: কাগজ দিয়ে বসে পড়েন।
আমি: ধন্যবাদ জানিয়ে বসলাম।
বোর্ড: নাম কি?
আমি: হাবিবা আক্তার
বোর্ড : কোথায় পড়াশোনা করেছেন কোন বিষয়?
আমি: চট্টগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজ
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি
বোর্ড: হাবিবা আপনি বলেনতো সভত্যা কাকে বলে( আমিতো মহা খুশি কেননা সবার প্রথমেই আমি সভত্যা ও সংস্কৃতি ইন্টারের বই থেকে পড়েছি)
আমি: মানব ইতিহাসে বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন অঞ্চলে যে বিশেষ বিশেষ কৃষ্টি / সংস্কৃতির উন্মেষ ঘটে তাকে সভত্যা বলে।
বোর্ড: সংস্কৃতি কাকে বলে?
আমি:মানুষের জীবনযাপন, মূল্যবোধ,বিশ্বাস,ভাষা পদ্ধতি,আচার আচরন সবকিছুর সমষ্টিকে সংস্কৃতি বলে।
বোর্ড:মুয়াবিয়া ও হোসেনের দ্বন্দের কারন
আমি: হোসেন মুয়াবিয়ার আধিপত্য মেনে নেয়নি
বোর্ড: এরফলে কি হয়েছিলো
আমি: কারবালার ঘটনা ঘটে স্যার
বোর্ড: উমাইয়া বংশ কে প্রতিষ্ঠা করেন?
আমি: মুয়াবিয়া ৬৬১ খিষ্ট্রাব্দে।
বোর্ড: আমি জানি,ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী।ইংরেজি করুন
আমি: I know, Dhaka is the capital of Bangladesh.
বোর্ড: সে নাচতে নাচতে আসছে
আমি: He is coming dancing( জানিনা উওর হয়েছে কিনা)
বোর্ড: মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে ৫ টি বাক্য বলেন অন্যদিক থেকে আরেক স্যার বলতাছে আয়তক্ষেএ কাকে বলে
আমি: যে চতুভূজের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল এবং কর্ণদ্বয় সমান তাকে আয়তক্ষেএ বলে। মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে কিছু বলতে পাড়িনি সুযোগের জন্য
বোর্ড : বাংলাদেশের কয়টি নদ ও কয়টি নদী আছে
আমি : নদ ২ টা নদী জানিনা সরি স্যার
বোর্ড : বাংলাদেশের সর্বশেষ উওরের বিভাগ কোনটা
আমি: সরি স্যার
বোর্ড: বাংলাদেশের আয়তন কত?
আমি: এক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার পাচশত সত্তর
 বর্গ কিলোমিটার।তারা উওর গ্রহন করলো কিন্তু আমার মনে হয় উওর হয়নি
বোর্ড: আয়তক্ষের ক্ষেএফল
আমি: দৈঘ্য* প্রস্ত
বোর্ড: একটি বাগানের দৈঘ্য ২ মিটার প্রস্তও ২ মিটার এটি কিসের অংঙ্ক হবে
আমি : ১ম এ আয়তক্ষেএ পরে সরি বলে বর্গক্ষেএ বললাম।
বোর্ড: একটা গুড দিলো বললো ভালো হয়েছে আপনার ভাইবা কাগজ নিয়ে চলে যান
আমি সালাম দিয়ে চলে আসলাম।
এতো কস্ট করে ৭/৮ টা গান কবিতা শিখলাম তা যে শোনলোনা এটা আমার ভালো লাগেনি।
যাই হোক ভাইবা ভালো হলেও রিটেনের নাম্বার খুবই কম কোন চান্স দেখিনা বাকিটা আল্লাহ দেখবে।
সবার জন্য শুভ কামনা।



প্রাইমারি ভাইভা অভিজ্ঞতা
১৬/৭/২০২২(ব্যস্ততার জন্য ভাইবার দিন লিখতে পারি নি। তাই আজকে দিলাম।)
সময়ঃ১৫-২০ মিনিট
জেলাঃবরিশাল
বোর্ড মেম্বারঃএডিসি স্যার,জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার,পিটিআই ম্যাডাম
বেল বাজার পর অনুমতি নিয়ে রুমে প্রবেশ করলাম।গিয়ে সালাম দিলাম। সালাম দেওয়ার পর তারা বসতে বললেন ।
এডিসি স্যারঃআমি তাহার সাফল্যমন্ডিত অর্জনে আনন্দিত বোধ করছি।
এই বাক্যটা বাংলা এবং ইংরেজিতে লিখতে বললেন।
আমিঃবাংলা লিখেছি কিন্তু ইংরেজিতে আমার মনে হয় বাক্যটির ট্রান্সলেশন  হয়নি। এজন্য উত্তরটা দিলাম না এখানে।  
এডিসি স্যারঃ I am singing. এটা কোন টেন্স?
আমিঃpresent continuous.
পিটিআই ম্যডামঃমুদ্রাস্ফীতি কি? বুঝিয়ে বলুন।
 আমিঃসাধারণত দাম স্তরের ক্রমবৃদ্ধির প্রবণতাই হলো মুদ্রাস্ফীতি।অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো এমন একটি অবস্থা যখন অর্থের মূল্য ক্রমেই কমে কিন্তু দ্রব্যমূল্য বাড়ে। এটা নিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্যার অনেকক্ষণ অনেক কথা জিজ্ঞেস করল। ব্যাখা করে মোটামুটি সন্তুষ্ট করতে পেরেছি।
এডিসি স্যারঃআপনি কি সার্কভুক্ত দেশগুলোর নাম বলতে পারবেন।?
আমিঃজি স্যার। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, আফগানিস্তান।
এডিসি স্যারঃএকটা সাধিত শব্দের উদাহরণ দেন
আমিঃগরমিল
এডিসি স্যারঃতাহলে একটা মৌলিক শব্দের উদাহরণ বলেন
আমিঃগোলাপ
এডিসি স্যারঃজাতির জনক বঙ্গবন্ধু কত সালের কত তারিখ কত তম  অধিবেশনে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেন?
আমিঃ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর। ২৯ তম অধিবেশনে।
এবার পিটিআই ম্যডামকে প্রশ্ন করতে বললেন।
পিটিআই ম্যাডামঃবুদ্ধিজীবী দিবস কবে পাঁচজন বুদ্ধিজীবীর নাম বলুন।
আমিঃ১৪ ডিসেম্বর।ডাক্তার ফজলে রাব্বী, সাহিত্যিক আনোয়ার পাশা, সাংবাদিক সেলিনা পারভীন, অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র দেব, মুনীর চৌধুরী ।
পিটিআই ম্যডামঃsentence কত প্রকার?? কি কি?
আমিঃ অর্থগতভাবে সেন্টেন্স পাঁচ প্রকার। assertive, interrogative,imperative, optative, exclamatory.
 গঠন গত ভাবে তিন প্রকার।simple, complex, compound.
পিটিআই ম্যাডামঃএকটা বৃত্ত একে বিভিন্ন অংশ চিহ্নিত করুন
আমিঃবৃত্ত একে বিভিন্ন অংশ চিহ্নিত করলাম।
পিটিআই ম্যাডামঃউদ্ভিদের কয়টা অংশ?
আমিঃউদ্ভিদের দুটি অংশ বললাম। মাটির উপরে অংশ কে বিটপ বলে।
এটা বলার পর বলল, না ওটা জানতে চাচ্ছি না।
পরে বললাম উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ থাকে। মূল, কাণ্ড, পাতা, শাখা-প্রশাখা, ফুল, ফল।
পরে বলল ঠিক আছে।
পিটিআই ম্যডামঃফলের কাজ কি??
আমিঃফল পাতার প্রস্তুতকৃত খাদ্যগুলো সঞ্চয় করে রাখে, বীজ উৎপাদন করে, বীজ থেকে বংশবিস্তার করে এগুলো বললাম।
পিটিআই ম্যডামঃআচ্ছা এবার বরিশালের পাঁচ টা নদীর নাম বলেন।
আমিঃকীর্তনখোলা, সন্ধ্যা নদী, রুপসা নদী,কচা নদী এই চারটা বলার পর আর মনে করতে পারছিলাম না।একটু  থামলাম।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আমকে বলল,এই আপনি কি জার্মান থাকেন।পাঁচটা নাম বলতে থামতে হচ্ছে কেন?? আপনি বরিশাল থাকেন না??
তখন আমি তো পুরাই ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলাম।
তখন পিটিআই ম্যডাম একটু হেল্প করল। বলল এই কয়েক দিন আগে সেতু উদ্বোধন হল না?সেই নদীর নাম বলুন।
তারপর মনে আসল।। পরে বললাম,পায়রা নদী,ধানসিঁড়ি, বিশখালী নদী।ম্যাডাম বলল থাক। আর লাগবে না।পাঁচ টা হয়ে গেছে।
পিটিআই ম্যাডামঃঅনেক তো প্রশ্ন হলো এবার একটা গান করুন।
আমিঃ যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে লক্ষ মুক্তি সেনা।গানটা করলাম।
সবাই গানের খুব প্রশংসা করল।এডিসি স্যার তো গানের তালে তালে মাথা দোলাচ্ছিলেন।
শেষে কাগজ পত্র দিয়ে বলল।এবার আপনি আসতে পারেন।সালাম দিয়ে বের হয়ে আসলাম।আরো টুকিটাকি কিছু প্রশ্ন ছিলো। ওগুলো মনে নাই।
এই ছিলো আমার ভাইবা অভিজ্ঞতা।।



প্রাইমারি ভাইভা অভিজ্ঞতা
১৬/৭/২০২২(ব্যস্ততার জন্য ভাইবার দিন লিখতে পারি নি। তাই আজকে দিলাম।)
সময়ঃ১৫-২০ মিনিট
জেলাঃবরিশাল
বোর্ড মেম্বারঃএডিসি স্যার,জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার,পিটিআই ম্যাডাম
বেল বাজার পর অনুমতি নিয়ে রুমে প্রবেশ করলাম।গিয়ে সালাম দিলাম। সালাম দেওয়ার পর তারা বসতে বললেন ।
এডিসি স্যারঃআমি তাহার সাফল্যমন্ডিত অর্জনে আনন্দিত বোধ করছি।
এই বাক্যটা বাংলা এবং ইংরেজিতে লিখতে বললেন।
আমিঃবাংলা লিখেছি কিন্তু ইংরেজিতে আমার মনে হয় বাক্যটির ট্রান্সলেশন  হয়নি। এজন্য উত্তরটা দিলাম না এখানে।  
এডিসি স্যারঃ I am singing. এটা কোন টেন্স?
আমিঃpresent continuous.
পিটিআই ম্যডামঃমুদ্রাস্ফীতি কি? বুঝিয়ে বলুন।
 আমিঃসাধারণত দাম স্তরের ক্রমবৃদ্ধির প্রবণতাই হলো মুদ্রাস্ফীতি।অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো এমন একটি অবস্থা যখন অর্থের মূল্য ক্রমেই কমে কিন্তু দ্রব্যমূল্য বাড়ে। এটা নিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্যার অনেকক্ষণ অনেক কথা জিজ্ঞেস করল। ব্যাখা করে মোটামুটি সন্তুষ্ট করতে পেরেছি।
এডিসি স্যারঃআপনি কি সার্কভুক্ত দেশগুলোর নাম বলতে পারবেন।?
আমিঃজি স্যার। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, আফগানিস্তান।
এডিসি স্যারঃএকটা সাধিত শব্দের উদাহরণ দেন
আমিঃগরমিল
এডিসি স্যারঃতাহলে একটা মৌলিক শব্দের উদাহরণ বলেন
আমিঃগোলাপ
এডিসি স্যারঃজাতির জনক বঙ্গবন্ধু কত সালের কত তারিখ কত তম  অধিবেশনে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেন?
আমিঃ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর। ২৯ তম অধিবেশনে।
এবার পিটিআই ম্যডামকে প্রশ্ন করতে বললেন।
পিটিআই ম্যাডামঃবুদ্ধিজীবী দিবস কবে পাঁচজন বুদ্ধিজীবীর নাম বলুন।
আমিঃ১৪ ডিসেম্বর।ডাক্তার ফজলে রাব্বী, সাহিত্যিক আনোয়ার পাশা, সাংবাদিক সেলিনা পারভীন, অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র দেব, মুনীর চৌধুরী ।
পিটিআই ম্যডামঃsentence কত প্রকার?? কি কি?
আমিঃ অর্থগতভাবে সেন্টেন্স পাঁচ প্রকার। assertive, interrogative,imperative, optative, exclamatory.
 গঠন গত ভাবে তিন প্রকার।simple, complex, compound.
পিটিআই ম্যাডামঃএকটা বৃত্ত একে বিভিন্ন অংশ চিহ্নিত করুন
আমিঃবৃত্ত একে বিভিন্ন অংশ চিহ্নিত করলাম।
পিটিআই ম্যাডামঃউদ্ভিদের কয়টা অংশ?
আমিঃউদ্ভিদের দুটি অংশ বললাম। মাটির উপরে অংশ কে বিটপ বলে।
এটা বলার পর বলল, না ওটা জানতে চাচ্ছি না।
পরে বললাম উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ থাকে। মূল, কাণ্ড, পাতা, শাখা-প্রশাখা, ফুল, ফল।
পরে বলল ঠিক আছে।
পিটিআই ম্যডামঃফলের কাজ কি??
আমিঃফল পাতার প্রস্তুতকৃত খাদ্যগুলো সঞ্চয় করে রাখে, বীজ উৎপাদন করে, বীজ থেকে বংশবিস্তার করে এগুলো বললাম।
পিটিআই ম্যডামঃআচ্ছা এবার বরিশালের পাঁচ টা নদীর নাম বলেন।
আমিঃকীর্তনখোলা, সন্ধ্যা নদী, রুপসা নদী,কচা নদী এই চারটা বলার পর আর মনে করতে পারছিলাম না।একটু  থামলাম।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আমকে বলল,এই আপনি কি জার্মান থাকেন।পাঁচটা নাম বলতে থামতে হচ্ছে কেন?? আপনি বরিশাল থাকেন না??
তখন আমি তো পুরাই ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলাম।
তখন পিটিআই ম্যডাম একটু হেল্প করল। বলল এই কয়েক দিন আগে সেতু উদ্বোধন হল না?সেই নদীর নাম বলুন।
তারপর মনে আসল।। পরে বললাম,পায়রা নদী,ধানসিঁড়ি, বিশখালী নদী।ম্যাডাম বলল থাক। আর লাগবে না।পাঁচ টা হয়ে গেছে।
পিটিআই ম্যাডামঃঅনেক তো প্রশ্ন হলো এবার একটা গান করুন।
আমিঃ যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে লক্ষ মুক্তি সেনা।গানটা করলাম।
সবাই গানের খুব প্রশংসা করল।এডিসি স্যার তো গানের তালে তালে মাথা দোলাচ্ছিলেন।
শেষে কাগজ পত্র দিয়ে বলল।এবার আপনি আসতে পারেন।সালাম দিয়ে বের হয়ে আসলাম।আরো টুকিটাকি কিছু প্রশ্ন ছিলো। ওগুলো মনে নাই।
এই ছিলো আমার ভাইবা অভিজ্ঞতা।।



ভাইভা অভিজ্ঞতা
নামঃ মোঃ সোহানুর রহমান
জেলাঃ নারায়ণগঞ্জ
তারিখঃ ০৬/০৭/২০২২ ইং
সময়ঃ ৫-৬ মিনিট
আমিঃ আসসালামু আলাইকুম।
বোর্ডঃ আসুন, Take your seat. (ডানদিকে একজন ম্যাডাম ছিলেন তিনি মূল সার্টিফিকেট গুলো চাইলেন।)
আমিঃ Thank you Sir বলে চেয়ারে বসলাম, সার্টিফিকেট জমা দিলাম।
বোর্ডঃ কোথায় পড়াশোনা করেছেন?
আমিঃ সরকারি তোলারাম কলেজ।
বোর্ডঃ Subject?
আমিঃ English.
বোর্ডঃ তোলারাম থেকে পড়াশোনা করেছেন কোন দল করেন নি? রাজনীতি করেছেন?
আমিঃ না স্যার, আমি কখনো রাজনীতির সাথে জড়িত হইনি।
বোর্ডঃ সবাই দেখি খুব ভালো ছেলে (হাসতে হাসতে)। যমুনা সেতু সম্পর্কে কি জানেন বলেন।
আমিঃ যা যা জানি বললাম, স্যার খুব খুশী হলেন।
(আমি সিরিয়ালে শেষের দিকে ছিলাম আমার আগে একজনকে এই প্রশ্ন করেছে শুনে লাইনে দাঁড়ানো অবস্থায় নেট থেকে একটু পড়ে নিয়েছিলাম। ভাগ্য ভালো থাকায় কমন পরেছে। বাকিদের বেশীরভাগ পদ্মা সেতু সম্পর্কে জিগ্যেস করেছে।)
বোর্ডঃ Say three sentence about Father of the Nation.  
আমিঃ Answered.
বোর্ডঃ প্রাইমারি তে কেন আসতে চান?
আমিঃ নিজের মত করে গুছিয়ে উত্তর দিয়েছি।
বোর্ডঃ প্রাইমারির বাচ্চাদের কিভাবে পড়াবেন? আপনার পড়ানোর টেকনিক কি হবে?
আমিঃ এটাও নিজের মত করে গুছিয়ে উত্তর দিলাম। এগুলো আগেই নোট করে রেখেছিলাম। মনে হলো বোর্ড সন্তুষ্ট হয়েছে।
বোর্ডঃ চাকরি হলে করবেন তো?
আমিঃ অবশ্যই স্যার।
জীবনের প্রথম সরকারি চাকরির ভাইভা ছিলো। নার্ভাস ছিলাম কিন্তু সব প্রশ্নের উত্তর কনফিডেন্সের সাথে স্পষ্টভাবে দিয়েছি। আশা করি বোর্ড কে সন্তুষ্ট করতে পেরেছি, বাকিটা আল্লাহর ওপর। দোয়া করবেন সবাই। ধন্যবাদ।